আলোর ব্যতিচার

আলোর ব্যতিচার আর ব্যতিচারের ধরন ও ব্যতিচারের শর্ত আলোচনা করা হয়েছে -


আলোর ব্যতিচার 
দুটো সুসঙ্গত উৎস পাশাপাশি রাখলে উৎস থেকে নির্গত সমান কম্পাঙ্ক ও বিস্তারের দুটি আলোক তরঙ্গ উপরিপাতন এর ফলে পর্যায়ক্রমে উজ্জ্বল ও অন্ধকার ডোরার সৃষ্টি হয় তাকে ব্যতিচার বলে।

আলোর ব্যতিচার দুই ধরনের হয়ে থাকে-
১. গঠনমূলক ব্যতিচার এবং 
২. ধ্বংসাত্মক ব্যতিচার।

গঠনমূলক ব্যতিচার
সমান কম্পাঙ্ক ও বিস্তারের দুটি তরঙ্গ উপরিপাতনের ফলে যদি তরঙ্গদ্বয় সমদশায় মিলিত হয়ে লব্ধই তরঙ্গের বিস্তার বা তীব্রতা সর্বোচ্চ হওয়াকে গঠনমূলক ব্যতিচার বলে।
ধ্বংসাত্মক ব্যতিচার
সমান কম্পাঙ্ক ও বিস্তারের দুটি তরঙ্গের উপরে উপরিপাতনের ফলে তরঙ্গ যদি বিপরীত দশায় মিলিত হয়ে তরঙ্গের বিস্তার বা তীব্রতা সর্বনিম্ন হওয়াকে ধ্বংসাত্মক ব্যতিচার বলে।
ব্যতিচার ঝালর
ব্যতিচারের ফলে যে উজ্জ্বল বা অন্ধকার ডোরা বা পট্রি পাওয়া যায় তাকে ব্যতিচার ঝালর বলে।

আলোর ব্যতিচার



আলোকের ব্যতিচারের শর্ত
১. আলোক উৎস দুটি ছোট হতে হবে
২. উৎস কাছাকাছি হতে হবে
৩. উৎস দুটি থেকে সৃষ্ট তরঙ্গের দশা পার্থক্য সমান হতে হবে
৪. তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বা কম্পাঙ্ক সমান হতে হবে
৫. তরঙ্গ দুটি এক বর্ণী হতে হবে
৬. তরঙ্গ দুটি এক দিকে সঞ্চালিত হতে হবে।



Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url